সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সীমান্ত অঞ্চলে ঘুরতে যাওয়া পর্যটকরা সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে আর ‘শেষ গ্রাম’ নয়, ভারতের ‘প্রথম গ্রাম’ হিসাবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অগ্রাধিকারের মধ্যে অন্যতম ছিল সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন। গত কয়েক বছরে সেই পরিবর্তন দৃশ্যমান। সুরক্ষিত সীমান্ত দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাই বর্তমান সরকার সীমান্ত এলাকা ও সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোোতে অবকাঠামো বৃদ্ধি করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ ১০ এপ্রিল অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত গ্রাম কিবিথতেু ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ কর্মসূচি’ চালু করেছিলেন। এর ফলে সীমান্তের নিকটবর্তী গ্রামবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে এবং সেখানকার বাসিন্দাদের গ্রামে থাকতে উৎসাহিত করবে। এর ফলে অভিবাসন বন্ধ হবে এবং সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার হবে। ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ কর্মসূচি তিন ধাপে সম্পন্ন হবে। সীমান্তবর্তী গ্রাম থেকে অভিবাসন বন্ধ করা, পর্যটনের প্রচার করা এবং যেখানে শহরের মতো সুযোগ সুবিধা তৈরি করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সরকার ২০২২-২৩ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত 'ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ কর্মসূচি অনুমোদন করেছে। এই প্রকল্পে কেন্দ্রের অবদান ৪৮০০ কোটি টাকা, যার মধ্যে সড়ক সংযোগের জন্য ২৫০০ কোোটি টাকা ব্যয় করা হবে। অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, উত্তরাখন্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের উত্তর সীমান্ত বরাবর ২৯৬৭টি গ্রামকে ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ কর্মসূচির অধীনে